ইসরায়েলে ইরানের ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরানের এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিকে হত্যার ঘটনার জবাব হিসেবেই তেল আবিবে ক্লাস্টার ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।

দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) গভীর রাতে চালানো এই হামলায় তেল আবিবের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। চলমান এই সংঘাতে ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে এখন ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বলছে, হামলায় খোররামশাহর-৪ এবং কদরসহ একাধিক মাল্টি-ওয়ারহেড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ইরান বারবার ক্লাস্টার ওয়ারহেড ব্যবহার করছে। এ ধরনের অস্ত্র আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে অনেক ছোট ছোট বিস্ফোরক ছড়িয়ে দেয়, ফলে এগুলো ঠেকানো বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।

এদিকে, ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছেও একটি ক্ষেপণাস্ত্র পড়েছে বলে জানা গেছে। তবে তেহরান আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-কে জানিয়েছে, এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি চলমান পরিস্থিতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কোনো ধরনের পারমাণবিক দুর্ঘটনা না ঘটে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে পাল্টাপাল্টি হামলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।