যুদ্ধ ক্রমশ বাড়ছে, দু-পক্ষের হুমকি ও পাল্টা হুমকিতে পরিস্থিতি ঘোরালো হচ্ছে যুদ্ধের আজ ১৪ তম দিন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে ! একদিকে ইরান এবং অন্যদিকে আমেরিকা-ইজরায়েল পরস্পর পরস্পরকে উদ্দেশ্য করে হুমকি-পাল্টা হুমকি দিয়েই চলেছে। "আজ এই পাগল বদমাশদের কী হয় দেখুন" বলে নতুন করে হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে ইরানের মিলিটারি সদর দফতর থেকেও চরম বার্তা দেওয়া হয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েলকেও। ইরানের এক মিলিটারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরানের বন্দর ও জ্বালানি ক্ষেত্রে সামান্যতম হামলা হলে আমরা চুপ করে বসে থাকব না। এই অঞ্চলের সমস্ত তেল ও গ্যাস পরিকাঠামো, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার পশ্চিমী মিত্রদের স্বার্থ রয়েছে, সেগুলি ধ্বংস করা হবে।" পাশাপাশি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই হুঙ্কারের সুরে জানিয়ে দিয়েছেন, কোনওভাবেই 'হরমুজ প্রণালী' খোলা হবে না। এটাকে আমেরিকা ও ইজরায়েলকে চাপে রাখার কৌশল হিসাবে ব্যবহার করা হবে। তাঁর আরও হুঁশিয়ারি, শহিদদের মৃত্যুর বদলা আমরা নেবই।
ইরানি সামরিক আধিকারিক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সরদার ইব্রাহিম জাবারি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ওই এলাকায় প্রবেশ করা যেকোনো জাহাজকে টার্গেট করা হবে। এই পর্যায়ে মার্কিন হামলায় ইরানে আরও ১৫০ জন নিহত হন, আর উপসাগরীয় দেশগুলিতে হামলায় অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর দুই সৈন্যও নিহত হন।
এদিকে সংঘাত লেবাননেও ছড়িয়ে পড়েছে। ইজরায়েল বৈরুতে হিজবুল্লাহর দপ্তরে বিমান হামলা চালায়। দক্ষিণ লেবানন ও বেকা উপত্যকায় হামলায় অন্তত ৫২ জন নিহত এবং ১৫৪ জন আহত হন। ইজরায়েল দাবি করেছে, এই হামলায় প্যালেস্তাইন ইসলামিক জিহাদের লেবানিজ কমান্ডার আবু হামজা রামি এবং হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা প্রধান হুসেইন মাকলেহ নিহত হয়েছে।

Social Plugin