ইরানকে ঘিরে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ রাতে (ভারতীয় সময় ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন।
যুদ্ধ শুরুর পর এটাই ছিল এই বিষয়ে তাঁর প্রথম সরাসরি বক্তব্য। সেখানে ট্রাম্প মূলত বোঝানোর চেষ্টা করেন—এই সংঘাতের জন্য আমেরিকা এবং বিশ্বের যে মূল্য দিতে হচ্ছে, সেটাকে তিনি কীভাবে যুক্তিসঙ্গত মনে করছেন। পাশাপাশি তিনি আগের মতোই দাবি করেন, যুদ্ধ শেষ করার পথে তিনি অনেকটাই এগিয়ে গেছেন।
বুধবার সন্ধ্যায় দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং সবচেয়ে কঠিন সময়টা পেরিয়ে গেছে। তবে এখানেই থামার ইঙ্গিত দেননি তিনি। বরং স্পষ্ট করে জানান, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোরভাবে আঘাত হানতে থাকবে।
ভাষণে তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরেই বলেন, “আমাদের প্রধান কৌশলগত লক্ষ্যগুলো এখন প্রায় পূরণ হয়ে গেছে। গত চার সপ্তাহে আমাদের বাহিনী এমন দ্রুত এবং নির্ধারক সাফল্য পেয়েছে, যা সচরাচর দেখা যায় না।”
একই সঙ্গে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী নিয়ে অন্য দেশগুলোর ভূমিকাও তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, যেসব দেশ এই পথ দিয়ে তেল নেয়, তাদেরই এগিয়ে এসে এর নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়া উচিত। সরাসরি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এই পথটা তোমরাই নিয়ন্ত্রণ করো, সুরক্ষা দাও, আর নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করো।”
মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর কথাও আলাদা করে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। ইসরায়েল, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন—এই দেশগুলোর প্রশংসা করে তিনি বলেন, তারা এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে আশ্বাস দেন, এই মিত্রদের কোনোভাবেই ক্ষতির মুখে পড়তে দেওয়া হবে না।

Social Plugin