বিশ্বকাপের আগে আর কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না আর্জেন্টিনা। ফিনালিসিমা হঠাৎ বাতিল হয়ে যাওয়ার পর তাই দেরি না করে নতুন প্রতিপক্ষ ঠিক করে ফেলেছে তারা। ৩১ মার্চ গুয়েতেমালার বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে দল, সেই ম্যাচকে সামনে রেখেই কোচ লিওনেল স্কালোনি দল ঘোষণা করেছেন। তালিকায় যেমন নতুন চমক আছে, তেমনই আছে পুরনো মুখের ফেরা, আবার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
ম্যাচটা হবে বুয়েনোস আইরেসের লা বোমবোনেরা স্টেডিয়ামে। বিশ্বকাপের আগে এটাকেই শেষ প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে আর্জেন্টিনা শিবির।
দল ঘোষণার পর সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে দুই নতুন ফুটবলারকে নিয়ে—তোমাস পালাসিওস আর গ্যাব্রিয়েল রোহাস। দু’জনেই দেশীয় লিগ থেকে উঠে এসে প্রথমবার জাতীয় দলে সুযোগ পেলেন। পালাসিওসকে নিয়ে কোচিং স্টাফ বেশ কিছুদিন ধরেই ভাবছিল। এস্তুদিয়ান্তেসে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাওয়ার পর নিজের জায়গাটা যেন জোর করে ছিনিয়েই নিলেন তিনি।
এদিকে দলে ফিরেছেন মার্কোস আকুনা, যিনি আগের প্রীতি ম্যাচে ছিলেন না। তবে সব খবর যে ভালো, তা নয়। চোটের কারণে বাইরে থাকতে হচ্ছে জিওভান্নি লো সেলসো, লিসেন্দ্রো মার্তিনেজ আর লাউতারো মার্তিনেজকে। এরা প্রত্যেকেই দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, ফলে তাদের অনুপস্থিতি কিছুটা হলেও ভাবাচ্ছে।
দল বাছাইয়ে স্কালোনির পরিকল্পনাটাও বেশ স্পষ্ট। তরুণদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়াতে নিকো পাজ আর জিয়ানলুকা প্রেসিয়ান্নিকে দলে রাখা হয়েছে। সেখানে পিছিয়ে গেছেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো আর আলেহান্দ্রো গার্নাচো। একইভাবে হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ এগিয়ে গেছেন হোয়াকিন প্যানিচেল্লির চেয়ে।
এর পাশাপাশি ভ্যালেন্তিন বার্কো, ম্যাক্সিমো পেরেওনে আর মার্কোস সেনেসির মতো ফুটবলারদের ওপরও নজর রাখছেন কোচ। সব মিলিয়ে বোঝাই যাচ্ছে, বিশ্বকাপের আগে দলটা শেষবারের মতো গুছিয়ে নিতে চাইছেন স্কালোনি—যেখানে অভিজ্ঞতা আর নতুন শক্তি, দুটোই মিলিয়ে দেখতে চাইছেন তিনি।

Social Plugin