আসলে ব্যাপারটা শুরু হয় প্রধানমন্ত্রীর একটি সংসদীয় ভাষণ থেকে। সেখানে তিনি কোভিডের সময়কার পরিস্থিতির কথা টেনে আনেন। তারপর থেকেই ইন্টারনেট আর সোশ্যাল মিডিয়ায় “ভারতে লকডাউন” নিয়ে খোঁজখবর আর আলোচনা দ্রুত বাড়তে থাকে। তবে এই নিয়ে সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা করা হয়নি—এটা পরিষ্কার করে বলা দরকার।
মানুষের এই বাড়তি উৎকণ্ঠার পেছনে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও বড় কারণ। ইরান-ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে টানাপোড়েন চলছে, তার সঙ্গে যোগ হয়েছে এলপিজি সরবরাহে সমস্যা হতে পারে—এই আশঙ্কা। ফলে অনেকেই আগাম ভাবতে শুরু করেছেন, যদি পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে আবার কড়াকড়ি ফিরবে কি না।
সংসদে নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী মূলত প্রস্তুতির কথাই বলেছেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, দেশ আগে মহামারির মতো কঠিন সময় পার করেছে, তাই প্রয়োজনে সবাইকে একসঙ্গে থেকে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। কিন্তু তিনি কোথাও লকডাউন, কারফিউ বা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মতো কোনও নির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা বলেননি।
সংক্ষেপে বললে, এখন যা চলছে তা মূলত মানুষের উদ্বেগ আর জল্পনা—সরকারের তরফে এমন কোনও সিদ্ধান্ত এখনও জানানো হয়নি।

Social Plugin