ভোটরঙ্গে কাতলা থেকে রুটিবেলা সবই চলছে


ভোট বড় বালাই। আমজনতার কৃপা পেতে অনেক কিছুই করতে হয় প্রার্থীকে। কয়েক বছর আগে ভোটের বাজারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হাঁটু মুড়ে গ্রামের বাড়িতে খেতে দেখা গিয়েছিল। সভা সমাবেশ দেয়াল লিখন তো আছে। আর এখন প্রচারের সিংহভাগ দখল করে নিয়েছে সামাজিক মাধ্যম। এর বাইরে রয়েছে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত গণসংযোগ। বিগত নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে দেখা গিয়েছিল এক ভোটারকে সাবান মাখিয়ে স্নান করিয়ে দিতে।এবার মাছ হাতেই প্রচারে নামলেন বিধাননগরের বিজেপি প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। মানুষের মন জয় করতে মাছ হাতে ভোট ময়দানে নেমে পড়লেন। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেবে। এমনকি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিকবার সরব হয়েছেন এই ইস্যুতে। তা ভাঙতে মাঠে নেমে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী। হাতে পেল্লাই সাইজের কাতলা মাছ, আর মুখে ‘মিথ্যে অপপ্রচারে’র জবাব। নির্বাচন ময়দানে প্রার্থীরা জনসংযোগের কোনও মওকাই ছাড়ছেন না। সব ছাপিয়ে দুবরাজপুরের বিজেপি প্রার্থী  অনুপ কুমার সাহা বৃদ্ধের দাড়ি কামিয়ে জনসংযোগ সেরেছেন। পুরশুড়ার তৃণমূল প্রার্থী  পার্থ হাজারি ভোটারদের বাড়ি গিয়ে রুটি বেলেছেন।