শুক্রবার রাতে প্রবল ঝড়বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা এবং শহরতলিতে

শুক্রবার রাতটা যেন আচমকাই বদলে গেল। কলকাতা আর আশপাশের এলাকায় হঠাৎই নামে প্রবল ঝড়বৃষ্টি। দমকা হাওয়ার জেরে অনেক জায়গায় গাছ উপড়ে পড়ে রাস্তা আটকে যায়। রাতের মধ্যে বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎও চলে যায়।

পরিস্থিতি এতটাই খারাপ ছিল যে রাত বারোটার পর কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় লাল সতর্কতা জারি করতে হয়। এই দুর্যোগের প্রভাব পড়ে বিমান চলাচলও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিমানও নির্ধারিত সময়ে নামতে পারেনি। প্রায় এক ঘণ্টার কাছাকাছি আকাশেই ঘুরতে হয় সেটিকে। শেষমেশ রাত প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ তিনি কলকাতায় পৌঁছন।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝড়ের রেশ এখানেই শেষ নয়। শনিবারও শহরে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।

শনিবার কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। একই রকম পরিস্থিতি থাকতে পারে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতেও। এই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সেখানে হাওয়ার বেগ তুলনামূলক কম, ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার থাকতে পারে। সেসব এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি আছে। কোথাও কোথাও, বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া আর হুগলির কিছু অংশে শিলাবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।