রবিবার নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে নামার আগে কিছুটা চিন্তায় মোহনবাগান শিবির। আপুইয়া পুরো ফিট নন, ফলে এই ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে না। একই অবস্থা আলবার্তোরও। স্প্যানিশ ডিফেন্ডারকে নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা রাখা হলেও বাস্তবে তাঁকে মাঠে নামার সম্ভাবনা খুবই কম। তবু শেষবারের মতো শনিবার সকালে তাঁকে দেখে নিতে চান কোচ সের্গিও লোবেরা। যদিও দলীয় সূত্রে খুব একটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে না।
তবে লোবেরা এসব নিয়ে বেশি মাথা ঘামাতে চাইছেন না। তাঁর লক্ষ্য একটাই—রবিবারের ম্যাচ থেকে পুরো তিন পয়েন্ট তুলে আনা। এখন পর্যন্ত আট ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে মোহনবাগান। টেবিলের শীর্ষে থাকা মুম্বই সিটির থেকে তারা মাত্র এক পয়েন্ট পিছিয়ে। এদিকে মুম্বইয়ের সামনে কঠিন ম্যাচ রয়েছে, ফলে তারা যদি পয়েন্ট খোয়ায়, আর মোহনবাগান জেতে, তাহলে শীর্ষস্থান দখল করার সুযোগ থাকবে।
গত ম্যাচে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে জেতান কামিংস। টানা তিন ম্যাচ জয়ের বাইরে থাকার পর সেই ম্যাচ থেকেই আবার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে দল। সাহালও বদলি হিসেবে নেমে ভালো প্রভাব ফেলেছিলেন। তাই এবার প্রথম একাদশে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা থাকছেই। যদিও এই বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলতে চাননি লোবেরা।
কোচের ইঙ্গিত, দল আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতেই খেলবে। তবে প্রতিপক্ষকে হালকা করে দেখার কোনো প্রশ্নই নেই। ঘরের মাঠে নর্থ ইস্ট যে কোনো সময় বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে—এই সতর্কবার্তাও দিয়েছেন তিনি।
পরিসংখ্যান বলছে, নর্থ ইস্টের ফর্ম খুব একটা ভালো নয়। আট ম্যাচে তাদের পয়েন্ট মাত্র সাত। তার উপর দলের গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের খেলোয়াড় আলেদাইন আজার না থাকাও একটা বড় ধাক্কা। রক্ষণভাগেও ফাঁকফোকর আছে, ইতিমধ্যে ১৫ গোল হজম করেছে তারা। স্বাভাবিকভাবেই মোহনবাগানের আক্রমণভাগের ফুটবলারদের কাছে এটা একটা সুযোগ।
তবে ম্যাচের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করবে নর্থ ইস্টের জিতিন এমএস আর পার্থিব গগৈয়ের মতো ফুটবলারদের কতটা আটকানো যায়, তার উপর। ওদের থামাতে পারলেই ম্যাচের অর্ধেক কাজ সেরে ফেলতে পারবে মোহনবাগান।

Social Plugin