চিপকে ইশানের ঝড়, চেন্নাইকে হারিয়ে প্লে–অফে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

প্লে–অফে ওঠার লড়াইয়ে বাঁচা–মরার ম্যাচ ছিল চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে। কিন্তু ১৮০ রানের লড়াকু স্কোর গড়েও শেষ পর্যন্ত স্বস্তি পেল না তারা। চিপকের মাঠে ইশান কিষানের ঝকঝকে ইনিংসে ভর করে ছয় বল বাকি থাকতেই পাঁচ উইকেটে জয় তুলে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গেই প্লে–অফের দরজাও খুলে গেল তাদের সামনে।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চেন্নাইয়ের শুরুটা বেশ আক্রমণাত্মক ছিল। ওপেন করতে নেমে সঞ্জু স্যামসন মাত্র ১৩ বলে ২৭ রান করে ইনিংসে গতি এনে দেন। শুরুতেই কয়েকটি চমৎকার শট খেললেও ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। স্যামসনকে ফেরান হায়দরাবাদের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

অন্য প্রান্তে অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ও বড় রান করতে পারেননি। তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১৫ রান। তিন নম্বরে নামা উর্ভিল প্যাটেলের সংগ্রহও খুব বেশি নয়, মাত্র ১৩। শুরুতে কয়েকটি উইকেট দ্রুত পড়ে যাওয়ায় চাপ তৈরি হয় চেন্নাই শিবিরে।

তবে সেই চাপের মধ্যে দলকে টেনে তোলেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। তরুণ প্রোটিয়া ব্যাটার ২৭ বলে ৪৪ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ২টি চার ও ৪টি ছক্কা। তার সঙ্গে কার্তিক শর্মা ৩২ এবং শিবম দুবে ২৬ রান করে দলকে লড়াইয়ের মতো জায়গায় পৌঁছে দেন। শেষ পর্যন্ত চেন্নাই থামে ১৮০ রানে।

হায়দরাবাদের বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল প্যাট কামিন্স। সানরাইজার্স অধিনায়ক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। ট্রাভিস হেড মাত্র ৬ রান করে ফিরে যান। কিছুক্ষণের মধ্যেই আউট হন অভিষেক শর্মাও। তখন কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছিল।

সেই সময়ই দায়িত্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে যান ইশান কিষান। বাঁহাতি এই ব্যাটার ধীরে ধীরে ইনিংস গড়তে শুরু করেন এবং পরে গতি বাড়ান। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৪৭ বলে ৭০ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসের উপর ভর করেই সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে হায়দরাবাদ এবং নিশ্চিত করে প্লে–অফের জায়গা।