আইপিএলের শেষ লগ্নে এসে প্লে-অফের লড়াই এখন বেশ জমে উঠেছে। বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং গুজরাত ইতিমধ্যেই শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করেছে। কিন্তু শেষ একটি জায়গা এখনও খালি। সেই জায়গা দখল করতে মরিয়া হয়ে লড়ছে পাঁচটি দল— পাঞ্জাব, চেন্নাই, রাজস্থান, দিল্লি এবং কলকাতা।
এই পরিস্থিতিতেই মঙ্গলবার জয়পুরে লখনউয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে রাজস্থান রয়্যালস। তাদের জন্য এই ম্যাচ কার্যত বাঁচা-মরার লড়াই। ১২ ম্যাচে রাজস্থানের ঝুলিতে এখন ১২ পয়েন্ট। বাকি দু’টি ম্যাচ জিতলেও অবশ্য নিশ্চিতভাবে প্লে-অফে ওঠা যাবে কি না, তা নির্ভর করবে অন্য ম্যাচের ফলের উপরও। অর্থাৎ নিজেরা জিতলেও সমীকরণ পুরোপুরি তাদের হাতে নেই।
অন্যদিকে লখনউ সুপার জায়ান্টস ইতিমধ্যেই প্লে-অফের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে। ফলে তাদের কাছে এই ম্যাচ মর্যাদা রক্ষার লড়াই ছাড়া আর কিছু নয়।
রাজস্থানের ব্যাটিংয়ের বড় ভরসা হয়ে উঠেছেন বৈভব সূর্যবংশী। এই মরসুমে একটি শতরানসহ তার ব্যাট থেকে এসেছে মোট ৪৮৬ রান। তবে সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে শুরুটা ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারছেন না বিহারের এই তরুণ ব্যাটার। ফলে তার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতার চাপ পড়ছে দলের উপরেও।
যশস্বী জয়সওয়াল এবং ধ্রুব জুরেলের ব্যাট থেকেও ধারাবাহিকতা মিলছে না। ফলে মাঝেমধ্যেই ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ছে। যদিও অধিনায়ক রিয়ান পরাগ বেশ ভালো ছন্দে আছেন। শেষ ম্যাচে তার অর্ধশতরান দলের লড়াইয়ে প্রাণ ফেরালেও শেষ পর্যন্ত দিল্লির বিরুদ্ধে জয় তুলে আনতে পারেনি রাজস্থান। মূলত নিচের সারির ব্যাটারদের ব্যর্থতাই সেখানে বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বোলিং বিভাগে অবশ্য জোফ্রা আর্চার এবং রবি বিষ্ণোই কিছুটা ভরসা দিচ্ছেন। কিন্তু শুধু বোলিং দিয়ে সব ম্যাচ জেতা সম্ভব নয়, ব্যাটারদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।
লখনউয়ের অবস্থা অবশ্য আরও হতাশাজনক। গতবারের মতো এবারও তাদের পারফরম্যান্স খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। ১২ ম্যাচে মাত্র ৮ পয়েন্ট নিয়ে তারা তালিকার একেবারে নীচের দিকে রয়েছে। অধিনায়ক ঋষভ পন্থের নেতৃত্ব নিয়েও ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Social Plugin