একটা সময় মনে হচ্ছিল, এ বারের প্রতিযোগিতায় সবার আগে প্লে-অফ নিশ্চিত করবে পাঞ্জাব কিংস। কিন্তু ছবিটা খুব দ্রুত বদলে গিয়েছে। টানা তিন ম্যাচে হারের ধাক্কায় এখন বেশ চাপে শ্রেয়স আয়ারের দল। সেই পরিস্থিতিতেই সোমবার ধরমশালায় দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে পাঞ্জাব।
এখনও পর্যন্ত ১০ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট রয়েছে পাঞ্জাবের ঝুলিতে। এই ম্যাচ জিততে পারলে তারা আবার পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে যেতে পারে। তবে হারলে চাপ আরও বাড়বে। অন্যদিকে দিল্লির অবস্থাও খুব একটা স্বস্তির নয়। ১১ ম্যাচে মাত্র ৮ পয়েন্ট নিয়ে কার্যত দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে অক্ষর প্যাটেলের দলের। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে হার মানেই প্লে-অফের আশা প্রায় শেষ।
পাঞ্জাবের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের ব্যাটিং। মরসুমের শুরুতে প্রিয়াংশ আর্য একাধিক ঝকঝকে ইনিংস খেলেছিলেন। যদিও সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে তাঁকে খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি। একই অবস্থা প্রভসিমরন সিংয়েরও। তবে কুপার কনোলি, শ্রেয়স আয়ার এবং মার্কাস স্টয়নিসের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটাররা এখনও দলের বড় ভরসা। ম্যাচ ঘোরানোর ক্ষমতা তাঁদের রয়েছে।
শুধু ব্যাটিং নয়, পাঞ্জাবের বোলিং বিভাগও যথেষ্ট শক্তিশালী। নতুন বলে অর্শদীপ সিং ধারাবাহিকভাবে ভালো করছেন। সঙ্গে রয়েছেন মার্কো জানসেন এবং লকি ফার্গুসনের মতো গতিময় পেসার। স্পিন বিভাগে যুজবেন্দ্র চাহাল এখনও দলের অন্যতম বড় অস্ত্র।
অন্যদিকে দিল্লির সামনে এখন হারানোর বিশেষ কিছু নেই। তাই অনেকটাই নির্ভার ক্রিকেট খেলতে চাইবেন লোকেশ রাহুলরা। ওপেনিংয়ে পাথুম নিশাঙ্কা শুরুটা ভালোই করছেন। লোকেশ রাহুলও ব্যাট হাতে ধারাবাহিক। নীতীশ রানা, সমীর রিজভি এবং ট্রিস্টান স্টাবসের মতো ব্যাটাররা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
দিল্লির বোলিং আক্রমণ আরও শক্তিশালী হয়েছে মিচেল স্টার্ক দলে ফেরায়। তবে শেষ ম্যাচে কলকাতার বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে হার দলের আত্মবিশ্বাসে ধাক্কা দিয়েছে। তাই সোমবারের ম্যাচে প্রথম একাদশে কিছু বদল দেখা যেতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
ছবি: সংগৃহীত

Social Plugin